ঠাকুরগাঁওয়ে “ময়ূরপঙ্খী সংস্থা” এর উদ্যোগে শারীরিক প্রতিবন্ধীকে সহায়তা প্রদান

SMS SMS

Editor

প্রকাশিত: ৮:০২ অপরাহ্ণ , মার্চ ১৬, ২০২১

ঠাকুরগাঁওয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী ভবেশের শেষ সম্বল টুকুও পুড়ে ছাই এমন শিরোনামে এল টিভি ২৪ সহ কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ও সরকারি রেজিস্ট্রারপ্রাপ্ত (গভঃ রেজিঃ নং ঢ-০৯৫৮৭) সেচ্ছাসেবী সংগঠন “ময়ূরপঙ্খী শিশু-কিশোর সমাজকল্যাণ সংস্থা” এর চোখে পড়লে সংগঠনের উদ্যোগে ভবেশকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় ।

মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দুপুরে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৫ নং বালিয়া ইউনিয়নের পানিয়া পাড়া গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী ভবেশকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ও সরকারি রেজিস্ট্রারপ্রাপ্ত সেচ্ছাসেবী সংগঠন “ময়ূরপঙ্খী” এর পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা, চাল, ডাল, তেল,আলু, মুড়ি ও নগদ আর্থিক সহয়তা দেওয়া হয় ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ময়ূরপঙ্খী এর উপদেষ্টা দৈনিক সময়ের কাগজ পত্রিকার স্থানীয় সম্পাদক ও বাংলা টিভির জেলা প্রতিনিধি মামুনুর রশিদ মামুন, উপদেষ্টা ব্যবসায়ী রশিদুল ইসলাম, দৈনিক কলম কথা পত্রিকার সদর প্রতিনিধি সাংবাদিক আল-আমিন,সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এম এ সামাদ এবং সংগঠনের সমন্বয়কারী সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এম এ সালাম রুবেল, আলমগীরসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ।
সহযোগিতা পেয়ে প্রতিবন্ধী ভবেশ চন্দ্র জানান, সত্যিই আমি অনেক আনন্দিত। আমার কোন ভয় নেই। এভাবে এই সংগঠন আমাকে সহযোগিতা করবে আমি কখনো ভাবতেও পারিনি। ভগবান এই সোনার ছেলে গুলোর ভালো করুক।
ভবেশের স্ত্রী বলেন, ময়ূরপঙ্খী সংস্থা আমাদের এ দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এভাবেই সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে আমাদের এই কষ্ট কিছুটা দূর হবে।
এ বিষয়ে ময়ূরপঙ্খী এর ঠাকুরগাঁও জেলা সমন্বয়কারী সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এম এ সালাম রুবেল বলেন,সংগঠনের কাজ হচ্ছে মানবতার কল্যাণে স্বেচ্ছায় কাজ করা। আমরা প্রতিনিয়ত এভাবেই অসহায় মানুষদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সকলের সহযোগিতা থাকলে আগামী দিনগুলোতে এভাবেই সাধারণ মানুষদের জন্য কিছু করতে পারবো আমরা।
উল্লেখ্য,গত মঙ্গলবার (০৯ মার্চ) দুপুরে পানিয়া পাড়া গ্রামের হতদরিদ্র শারিরীক প্রতিবন্ধী ভবেশের বাড়ীতে আগুন লেগে সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় তার ক্ষয়ক্ষতির হয় দুই লক্ষ টাকা। বর্তমানে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ভবেশ ।

 

এসএমএস/মমিতা